নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনের মতো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয় মূলত নিজস্ব আয় থেকে। কিন্তু সিসিকের আয় সীমিত হওয়ায় উন্নয়নের জন্য অনেক ক্ষেত্রে সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়। তারপরও সিটি কর্পোরেশন নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ সুরমার কুশিয়ারা কনভেনশন হলে আয়োজিত ২৮, ৩০ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণ এবং হোল্ডিং ট্যাক্স চালুকরণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের পরিধি বেড়েছে, ফলে ব্যয়ও বেড়েছে। কিন্তু সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলো থেকে এখনো প্রত্যাশিত রাজস্ব পাওয়া যাচ্ছে না। এরপরও আমরা সড়ক, ড্রেনেজ, স্ট্রিট লাইটসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যথাসময়ে কর পরিশোধ করলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।”
নগরবাসীর প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে চাই। ইতোমধ্যে কিছু উন্নয়নকাজ দৃশ্যমান হয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুমের কারণে কিছু কাজের গতি কমেছে। শুকনো মৌসুমে এসব প্রকল্পে আরও গতি আসবে।”
সিসিকের সচিব মো. আশিক নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, আঞ্চলিক কার্যালয়-৫-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুসরাত লায়লা নীরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস।
সভায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজ নিজ এলাকার সড়ক, ড্রেনেজ, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিকসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। সিসিক প্রশাসক সেগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: বাবুল খান মুন্না, মোবাইল নাম্বার: 𝟎𝟏𝟕𝟒𝟕𝟗𝟏𝟓𝟖𝟔𝟎 / 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟒𝟑𝟎𝟓𝟐𝟒𝟒
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত